চালকলে কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেঘনার তীরে অবস্থিত খাজা অটোরাইস মিল ও রহমানিয়া অটোরাইস মিল নামের চালকল দুটির সীমানাপ্রাচীরে নদীর পানি স্পর্শ করে। গত রোববার সকালে নদীর পানির তোড়ে সেই প্রাচীর ধসে যায়। প্রাচীর লাগোয়া স্থানে ছিল শ্রমিকদের থাকার ঘর। শরীফ যে ঘরে থাকতেন ওই ঘরে একটি রেফ্রিজারেটর ছিল। রেফ্রিজারেটরটি নেওয়ার জন্য মোশতাকিনকে সঙ্গে নিয়ে শরীফ ওই ঘরে যান। রেফ্রিজারেটরটি ধরে বাইরে আনার সময় ঘরের সঙ্গে তাঁরাও নদীতে তলিয়ে যান।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে সফল হননি। গত রোববার সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ করা হয়। সরকারিভাবে উদ্ধারকাজ বন্ধ হলেও স্থানীয়ভাবে উদ্ধারকাজ চলছিল। পরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ধসে পড়া ঘরের দেয়ালের নিচ থেকে শরীফের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ডুবুরি দলের প্রধান মালেক মিয়া বলেন, দুটি মরদেহ ধসে পড়া ঘরের দেয়ালের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় ছিল।

মিলের স্বত্বাধিকারী মো. সবুজ বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রথম দিন চেষ্টা করে সফল না হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। কিন্তু নিজেরা ডুবুরি এনে মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন