গাইবান্ধা শহরের চার লেন সড়কটি রেলগেট এলাকায় কিছুটা সরু করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ছয় ফুটের পরিবর্তে নির্মাণ করা হয়েছে চার ফুট বিভাজক। রেলওয়ের স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।
গাইবান্ধা সওজ সূত্রে জানা গেছে, শহরের পূর্ব দিকে বড় মসজিদ মোড় থেকে পশ্চিমে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার চার লেন সড়কের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর। ব্যয় ধরা হয় ১১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে সড়ক নির্মাণের জন্য ৬ কোটি ও জমি অধিগ্রহণের জন্য ১১১ কোটি টাকা। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স এ কাজের দায়িত্ব পায়।
নকশায় রয়েছে, সড়কের মাঝখানে ৬ ফুট বিভাজক ও দুই পাশে ১৮ ফুট করে সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া দুই পাশে পাঁচ ফুট করে নর্দমাও করার কথা। এ নকশা অনুযায়ী আড়াই কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষের দিকে। তবে শহরের ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় প্রায় ৬০০ ফুট সড়ক কিছুটা সরু করে নির্মাণ করা হচ্ছে।
শহরের হকার্স মার্কেটের সামনে বিভাজক ছয় ফুটের বদলে চার ফুট করা হয়েছে। ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় রেলওয়ের বেশ কিছু স্থাপনা ইজারা নিয়ে দোকান করেছেন ব্যবসায়ীরা। এসব স্থাপনার কারণে এ এলাকায় সড়কটির নির্মাণকাজ থেমে যায়।
এ নিয়ে ২ অক্টোবর প্রথম আলোতে ‘আড়াই কিলোমিটার সড়ক আটকে গেছে ছয় শ ফুটে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
সওজ সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে নির্মাণকাজ উদ্বোধনের পরই রেলগেট এলাকা থেকে স্থাপনা উচ্ছেদে রেল বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু দুই বিভাগের দাপ্তরিক কাজের দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রায় তিন বছরেও রেলগেট এলাকা থেকে স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি।
সূত্রটি আরও জানায়, উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হতে আরও সময় লাগবে। এদিকে ঠিকাদারের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই কাজের সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আখতার প্রথম আলোকে বলেন, স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার পর রেলগেট এলাকায় সড়কটি প্রশস্ত করা হবে।