বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক তাহেরা আকতার সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে বলা হয়, সন্ধ্যায় ১০-১২ জনের একটি দল জরুরি বিভাগের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। চিকিৎসক সুজন পাল ও নুরে জান্নাতকে মারধর করা হয়। তাঁরা নুরে জান্নাতকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহফুজার রহমান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
আহত চিকিৎসক সুজন পাল জানান, ওই রোগীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁকে মৃত ঘোষণার পরই রোগীর স্বজনেরা অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটায়।

তবে মৃত জাহেদা বেগমের ছেলে জাহিদ মিয়া অভিযোগ করেন, দুপুর ১২টার দিকে তাঁর মাকে নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে দ্রুত গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি মাকে নিয়ে জেনারেল হাসপাতালে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর মায়ের ইলেকট্রোলাইটসহ তিনটি পরীক্ষা করতে বলেন। পরীক্ষা করার পর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাঁর মাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন তাঁকে ভর্তি না করে পরদিন রক্ত দিতে বলেন চিকিৎসক। এভাবে চিকিৎসার অভাবে তাঁর মা মারা যান।

এদিকে জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন