বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান। এটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। এতে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ্ আলম, সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন, সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আমির হুসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার বিল্লাল হোসেন, প্রথম আলোর নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি মজিবুল হক, আলোকচিত্রী দিনার মাহমুদ, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি তাপস সাহা, প্রণব কৃষ্ণ, মতিউর রহমান, ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি পিন্টু খান, ইয়াদ পত্রিকার সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

কর্মসূচিতে সময় টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি শওকত হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য এ বি এম জাহিদ, সমকালের আলোকচিত্রী মেহেদী হাসান, কালের কণ্ঠের আলোকচিত্রী আরিফুর রহমান, দৈনিক দিনকালের কামাল হোসেন, স্থানীয় অগ্রবাণী প্রতিদিনের আলোকচিত্রী তানভীর আহমেদসহ নারায়ণগঞ্জের কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম–দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করায় শায়েস্তা করতে রোজিনাকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
খন্দকার শাহ্ আলম, সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ্ আলম বলেন, ‘সাংবাদিকদের কলম সন্ত্রাস-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখে তাদের রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে বার্তা দেওয়া হচ্ছে– তোমরা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখ, তাহলে তোমাদেরও এই পরিণতি হবে। দুর্নীতিবাজরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে এই কৌশল নিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম–দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করায় শায়েস্তা করতে রোজিনাকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলছি, হুমকি–ধমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বন্ধ করা যাবে না। সাংবাদিকেরা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে লিখে যাবে। রোববার রোজিনার জামিন না হলে গোটা সাংবাদিক সমাজ প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’  

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আমির হুসাইন বলেন, ‘রোজিনা ইসলামকে আইনের ফাঁদে ফেলে রাষ্ট্রযন্ত্র বিনা অপরাধে হয়রানি করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে তাঁকে শায়েস্তা করতে মিথ্যা মামলায় জেলে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।’

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম একের এর এক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট করেছেন। কোনটারও তো তাঁরা প্রতিবাদ জানাতে পারেননি। নিজেদের দুর্নীতি ও অপকর্ম ঢাকতেই রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আফজাল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম একের এর এক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট করেছেন। কোনটারও তো তাঁরা প্রতিবাদ জানাতে পারেননি। নিজেদের দুর্নীতি ও অপকর্ম ঢাকতেই রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত রোজিনা ইসলামকে মুক্তি দিতে হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন