বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার সকালে সরেজমিনে নগরের কিনব্রিজ এলাকায় দেখা গেছে, কিনব্রিজের নিচে পশ্চিম পাশে সারি বেঁধে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে লেগুনা। কিছু সময় পরপর দু-একটি লেগুনা সেখান থেকে বন্দরবাজারের দিকে যাচ্ছে এবং বন্দরবাজার থেকে কিনব্রিজের স্থানটিতে ফিরে আসছে। সেগুলো আবার সারিবদ্ধভাবে রাখা হচ্ছে ব্রিজের নিচেই।

নগরের তোপখানা এলাকার বাসিন্দা স্বপন দেব বলেন, প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়া নিলে অবৈধ স্ট্যান্ড পরবর্তীতে স্থায়ী হয়ে যাবে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়বে।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লকডাউন ঘোষণার পর লেগুনাগুলোর স্থান হয় কিনব্রিজ এলাকায়। প্রথম দিকে দু-চারটি লেগুনা রাখা হচ্ছিল। পরবর্তীতে বাড়তে থাকে সংখ্যা। প্রথম দিকে মানুষের যাতায়াত না থাকায় তেমন সমস্যা হয়নি। ঈদের সময়ে লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে। কিন্তু লেগুনাগুলো সরানো হচ্ছে না।

লেগুনাচালক জসিম উদ্দিন বলেন, নগরের ধোপাদিঘির পাড় এবং বন্দরবাজারে লেগুনাস্ট্যান্ড রয়েছে। লকডাউনের শুরুর দিকে যাত্রী পরিবহন বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল। পুলিশের কারণে সড়কের পাশের স্ট্যান্ডে গাড়ি রাখা যায়নি। সে জন্য যানবাহন ওই স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে এখানে অস্থায়ীভাবে যানবাহন রাখা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে লেগুনা রাখার জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ওই স্থানে যাতে লেগুনা রাখা না হয়, সে জন্য ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন