বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে সমাবেশ শেষ করতে বলা হয়েছে। বিএনপির অভিযোগ, সমাবেশে লোক সমাগম ঠেকাতে জেলার সব রুটে বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে পণ্ড করার জন্য এটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে।

এদিকে বাস বন্ধ করে দেওয়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে যাঁরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের উদ্দেশে সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন; তাঁরা অটোরিকশা, ভ্যান, ভটভটিতে করে ভেঙে ভেঙে অনেক দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

আজ বেলা দেড়টার দিকে জেলা আউটার স্টেডিয়ামে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। জেলা বিএনপির আয়োজনে এতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রধান অতিথি থাকার কথা রয়েছে।
বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু বলেন, গত কয়েক দিনে সড়ক দুর্ঘটনার জের ধরে কয়েকটি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। এ কারণে মালিক সমিতির জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভাঙচুরের প্রতিবাদে সকাল ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত জেলায় সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরিবহন বন্ধ করা মানে সমাবেশ হবে না—এটা ভাবার কোনো অবকাশ নেই। হঠাৎ পরিবহন বন্ধ রাখা মানে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। সকাল থেকে কোনো জেলা-উপজেলা থেকে মানুষকে শহরে ঢুকতেও দিচ্ছে না।’ এরপরও বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে বলে মনে করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন