বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে কিশোরীর মায়ের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিয়ে হয়। এর পর থেকে ওই ব্যক্তি ‘ঘরজামাই’ হিসেবে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করে আসছেন। বুধবার সকালে কিশোরীর মা মেয়েকে ঘরে রেখে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। রাতে সৎবাবা জুসের সঙ্গে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেন। পরে অচেতন হয়ে পড়লে তিনি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের দৃশ্য তিনি মুঠোফোনে ধারণ করেন। সকালে বিষয়টি জানতে পারেন কিশোরীর মামি। তিনি বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানালে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই কিশোরীর সৎবাবাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। একই সময় পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে কিশোরীর বড় ভাই বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর আমার বোন দরজা খোলে। এ সময় সে বলে সৎবাবা তার সর্বনাশ করেছে।’
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন