বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্বজনেরা জানান, সাবিনার স্বামী আজগর রহমান সৌদি আরবপ্রবাসী। সাবিনা তাঁর সন্তানসহ শ্বশুর–শাশুড়ির সঙ্গে লাহারকান্দি গ্রামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সম্প্রতি তাঁদের সংসারে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। গতকাল সন্ধ্যায় মুঠোফোনে সাবিনা ও তাঁর স্বামীর ঝগড়া হয়। পরে ছেলে আয়ানকে নিজের ঘরে নিয়ে সাবিনা দরজা বন্ধ করে দেন।

কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষ থেকে শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে যান। তাঁরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে সাবিনা আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন। এ সময় খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় আয়ানের লাশ পড়ে ছিল। খাটের পাশে রক্তমাখা বটিও পাওয়া গেছে।

সাবিনার শ্বশুর হুমায়ুন কবিরের ভাষ্য, সন্ধ্যায় সাবিনা ও আজগরের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ঝগড়ার কারণে সাবিনা অনেক রেগে ছিলেন। পরিবারের সবাই সাবিনাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পুত্রবধূ নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।

ওসি জসীম উদ্দিন বলেন, সাবিনা সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন