বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে নিহত যাত্রীদের লাশ শনাক্ত করতে আজ ভোর থেকেই স্বজনেরা এই হাসপাতালের চত্বরে ভিড় করেছেন।
লামিয়া–সামিয়ার স্বজনেরা বলেন, মা শিমু আক্তার ও নানি দুলু বেগমের সঙ্গে বরগুনায় দাদাবাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিল লামিয়া ও সামিয়া। অফিসের ব্যস্ততা থাকায় তাদের বাবা আসেননি। ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটি ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সামিয়া ও লামিয়া। তাদের নানি দুলু বেগম গুরুতর আহত হয়ে বরিশাল শের-ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তাদের মা শিমু আক্তার এখন পর্যন্ত নিখোঁজ। তাদের বাবা রফিক স্ত্রীকে খুঁজতে বরিশালে আছেন।

এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের কাছে ৪১ নিখোঁজ শিশু, নারী ও পুরুষ যাত্রীর তালিকা দিয়েছেন স্বজনেরা। গতকাল সকাল থেকেই বরগুনা, পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে দুর্ঘটনার স্থানসহ সুগন্ধা নদীর পাড়ের সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেছেন পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন