বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জনের লাশ বরগুনা জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে সাতজনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় ওই লাশগুলো তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ২৯ জনের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হবে

এর আগে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, বরগুনায় লাশ সংরক্ষণের হিমাগার না থাকার কারণে লাশগুলো বেশিক্ষণ রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে লাশগুলোর ডিএনএ স্যাম্পল রেখে লাশ দাফন করা হবে। নিহত ব্যক্তিদের লাশ দাফনের জন্য ২৫ হাজার এবং চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা সরকারি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন