কেন ত্রাণ নেননি, জানতে চাইলে রেংয়েনপাড়ার কারবারি (পাড়াপ্রধান) রেংয়েন ম্রো, লাংকমপাড়া কারবারি লাংকম ম্রো জানিয়েছেন, যারা তাঁদের জুমচাষের জমি, ফলদ-বনজ বাগান ও ধানের জমি পুড়িয়ে দিয়েছে; তাদের হাত থেকে তাঁরা ত্রাণ নিতে পারবেন না।

গত ২৬ এপ্রিল লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের লাংকমপাড়া, জয়চন্দ্রপাড়া ও রেংয়েনপাড়ার জুমচাষের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, ফলদ-বনজ বাগান ও ধানের জমি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন থেকে বাঁশ-গাছ সংগ্রহ করে বিক্রি করতে না পারায় ও দিনমজুরির কাজ না থাকায় তিনটি পাড়ার ৩৬টি পরিবারের সদস্যরা চরম খাদ্যসংকটে অনাহারে-অর্ধাহারে রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি রাবার বাগান করার জন্য জুমের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল কেটে পুড়িয়ে দিয়েছে।

মোহাম্মদ ইদ্রিস জানিয়েছেন, ম্রো ও ত্রিপুরাদের ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তাঁরা ত্রাণ নিতে রাজি হননি। ত্রাণসামগ্রী হিসেবে তাঁরা চাল, ডাল, চিড়া, গুড় ও পানি নিয়ে গিয়েছিলেন।

লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক কামাল উদ্দিন বলেন, সরই ইউপি চেয়ারম্যানের অনুরোধে ত্রাণ বিতরণের সময় কোম্পানির লোকজন গিয়েছেন। ম্রো ও ত্রিপুরাদের ভুল বুঝিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে লাগানো হচ্ছে।

মোস্তফা জাবেদ কায়সার বলেন, কেউ না কেউ ভুল বোঝানোর কারণে ম্রোরা ত্রাণ নেননি। এবং ১৬টি ত্রিপুরা পরিবার নিয়েও ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে তাঁরা চাইলে উপজেলা পরিষদে এসে ত্রাণ নিয়ে যেতে পারবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন