বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে মুসা সরকারের সঙ্গে থাকা তাঁর ভাগনে বাবলু হোসেন বেলা দেড়টার দিকে বলেন, তাঁর (মুসার) শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। রক্ত দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলুর রহমান বলেন, আহত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ হামলা করতে পারে। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। লালপুর হাসপাতালে থাকাকালে আহত ওই ইউপি সদস্য হামলাকারী কয়েকজনের নাম জানিয়েছেন। তাঁদের শনাক্ত করে ধরার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন