জেলা পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এসআই জসিম উদ্দিন বলেন, ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে যাওয়ার জন্য নিচতলা থেকে আইনজীবী, পুলিশ, বিচার প্রার্থীসহ ১২ জন লিফটে ওঠার পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর লিফট কোনোভাবে ওপরে উঠছিল না। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট আটকে থাকায় অক্সিজেন–সংকট দেখা দেয়। এ সময় লিফটের ভেতর ও বাইরে থেকে দরজা খোলার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন তাঁরা। পরে বাইরে থেকে ইট দিয়ে পিটিয়ে দরজা খোলা হয়। এরই মধ্য অক্সিজেনের অভাবে লিফটের ভেতর থাকা ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আদালতের নাজির তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘লিফট আটকে পড়ার খবর পেয়ে আমরা দৌড়ে ১০ তলায় যাই। সেখানে গিয়ে লিফটের পাওয়ার সুইচ বন্ধ করে আবার চালু করি। এরপর দরজা খুলে যায়। সফটওয়্যার সমস্যার কারণে লিফট অচল হয়ে গিয়েছিল।’

এ ঘটনার পর বেলা পৌনে দুইটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান জেলা জজ রফিকুল ইসলাম ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহিবুল ইসলাম। সেখানে লিফটম্যান দেওয়ার কথা জানান তাঁরা। একই সঙ্গে লিফটের সমস্যা গণপূর্ত বিভাগকে অবহিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লস্কর নুরুল হক বলেন, ‘আমার ধারণা, পুরোনো লিফট দেওয়া হয়েছে। তা না হলে উদ্বোধনের পরপরই এত সমস্যা দেখা দেবে কেন? আজ যে ঘটনা ঘটেছিল, তা আরেকটু দীর্ঘ হলে কয়েকটি লাশ দেখা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।’

গত ৩ মার্চ ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকায় নবনির্মিত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন