বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সড়কটির বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ বলছে, সড়কটির গাজীপুর অংশে প্রচুর গর্ত-খানাখন্দ বা কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন অংশে লেন সংকুচিত হয়ে পড়ায় কোনো গাড়িই রাজধানী থেকে বের হতে পারছে না। এতে যানজট তৈরি হয়ে ভোগান্তিতে পড়ছে হাজারো মানুষ।

পুলিশের ভাষ্য, লকাডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকেই সড়কটিতে মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকেই সড়কটিতে লেগে থাকছে যানজট। এর মধ্যে ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে চাপ বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর কাকলী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত লেগে আছে যানজট। এতেই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে রাজধানীর উত্তরা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, গাজীপুর অংশে বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিআরটি প্রকল্পের কাজ। কাজ করতে গিয়ে কোথাও ফেলে রাখা হয়েছে ইট, বালু, সিমেন্ট বা অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী। যত্রতত্র গর্ত-খানাখন্দে জমে আছে বৃষ্টির পানি। এর মধ্যে কাজ করতে গিয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে লেন। এ কারণে কোনো যানবাহনই ঠিকমতো চলাচল করতে না পারছে না। এতে যানজট লেগে গেছে পুরো সড়কে।

আজমপুর এলাকায় দেখা যায় যানবাহনের লম্বা লাইন। পদচারী–সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে যত দূর চোখ যায়, যানবাহনের স্থির অবস্থা দেখা যায়। যানবাহনগুলো চলাচল করতে না পারায় যাত্রীরা চরম বিরক্ত হচ্ছে। কেউ কেউ গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাচলা করছে, আবার গাড়িতে উঠছে। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে দেখা যায় চরম বিরক্তি ভাব।

ময়মনসিংহগামী আলম এশিয়া পরিবহনের যাত্রী সুইটি আক্তার বলেন, ‘দীর্ঘ সময় অপেক্ষা শেষে রাত দুইটার সময় গাড়িতে উঠছি। এর মধ্যে মাত্র এ পর্যন্ত আসছি। বাকি রাস্তা কীভাবে যাব, কখন যাব, তার কিছুই বুঝতে পারছি না।’

যানজটের প্রভাব পড়তে দেখা গেছে আবদুল্লাহপুর মোড় থেকে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ সড়ক, টঙ্গীর কামারপাড়া সড়ক ও টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে। যানবাহনের ধীরগতির কারণে এই সড়কগুলোতেও যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা যায়।

আবদুল্লাহপুর পুলিশ বক্সের পরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘গাজীপুরে গাড়ি ঢোকাতেই পারছি না। এ কারণে যানজট চলে গেছে কাকলী পর্যন্ত। এসব কারণে আশপাশের সড়কগুলোয় যান চলাচল করতে পারছে না। আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছি মানুষের ভোগান্তি কমানোর জন্য।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন