বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তমিজউদ্দিন বলেন, টিকাপ্রত্যাশীদের সারিতে তাঁর সামনে মল্লিকপুর এলাকার মাসুম ঠাকুর নামের এক যুবক দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় টিকার কার্ড জমা দেওয়া নিয়ে মাসুমের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে টিকা নেওয়ার পরপরই ওই কক্ষের মধ্যেই মাসুমসহ আরও চার–পাঁচজন যুবক এসে তাঁকে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো শুরু করে। এ সময় হাতুড়ি দিয়ে তাঁর পিঠে ও হাতে আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম ঠাকুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মাসুমের ভাই উজ্জ্বল ঠাকুর মল্লিকপুর ইউপির সদস্য। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, টিকার লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে তমিজউদ্দিনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পরে দুজনের মধ্যে মারামারি হয়। তবে হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর অভিযোগটি মিথ্যা।

জানতে চাইলে পাচুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, টিকার লাইনে দাঁড়ানো দুই যুবকের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা থেকে মারামারি হয়েছে। তবে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতের ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

তমিজউদ্দিনের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্ত শরীফ সাহাবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ওই যুবকের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন আছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নূরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি মীমাংসার জন্য কাল রোববার সকালে সালিস ডাকা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন