বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, কুন্দশী চৌরাস্তা মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময়ে তাঁর ওপর বোমা হামলা করা হয়েছে। এরপর স্থানীয় লোকজন তাঁকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন জানান, কুন্দশী চৌরাস্তায় মসজিদের সামনে বিকট শব্দ শুনেছেন মাত্র। এর বাইরে কিছু বলতে রাজি হননি কেউ। ঘটনার সময়ে পাশ দিয়ে লোহাগড়া থানার একটি পিকআপ ভ্যান যাচ্ছিল। ওই পিকআপ ভ্যানে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল ছিল।

এএসআই কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সেখান দিয়ে যাওয়ার সময়ে বিকট শব্দ শুনতে পাই। এর দুই-চার মিনিটের মধ্যেই একটি অ্যাম্বুলেন্সে আহত শাহাজাদাকে ওঠাচ্ছিল দুই যুবক। এরপর তাঁকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শরিফুল ইসলাম জানান, শাহাজাদার ডান হাতের কনুই থেকে হাড়-মাংস আলাদা হয়ে গেছে, শুধু একটু চামড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার করে হাত ফেলে দিতে হবে। না হলে মাংসে পচন ধরবে।

লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস রায় জানান, শাহাজাদাকে যে দুই যুবক অ্যাম্বুলেন্সে ওঠাচ্ছিল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। শাহাজাদা পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন থাকবেন। তাঁদের এ ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন