বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে (১৯ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল) জেলায় ৩ হাজার ২০৭ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৭০ জন, আমতলীতে ৭৯৫ জন, বামনায় ১৩১ জন, বেতাগীতে ৩২৫ জন, পাথরঘাটায় ৩১৩ জন এবং বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ১ হাজার ২৭৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। গত এক সপ্তাহে (১৪-২০ এপ্রিল) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪০ জন এবং মারা গেছেন দুজন।

বরগুনা জেনালের হাসপাতালের মেঝে ও প্রবেশ পথে বিছানা করে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সদর উপজেলার বড়ইতলা গ্রামের নিলুফা বেগম গতকাল মঙ্গলবার সকালে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁকে কোনো ওষুধ দেওয়া হয়নি। বাইরে থেকে স্যালাইন কিনে হাসপাতালে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ সম্পর্কে হাসপাতালের ভান্ডাররক্ষক জসীম উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে ডায়রিয়ার আইভি স্যালাইন মজুত নেই। তবে খাবার স্যালাইন মজুত আছে ৫০ হাজার।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহরাব উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে জনবলসংকট, ডায়রিয়া রোগীদের জন্য শয্যাসংকট রয়েছে। হঠাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলছে। রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে চিকিৎসকদের বেগ পেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট রয়েছে।

সিভিল সার্জন মারিয়া হাসান বলেন, দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। স্যালাইনের সংকট থাকলেও কিছুটা সমাধান হয়েছে। মানুষকে সচেতন করার জন্য বিভিন্নভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন