বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই যেন টিকার আওতায় আসে, সেই লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ টিকা ক্যাম্প চালু করা হয়েছে। আজ সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার বালাখানা এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনদীপ ঘরাই।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কইলকাহারা গ্রামের জয়নাল আবেদিন (৩৫) শরীয়তপুর শহরে পরিবহনশ্রমিকের কাজ করেন। টিকা নেওয়ার জন্য তিনি কোনো কেন্দ্রে যাননি। তবে বেলা ১১টার দিকে সড়কের পাশে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে টিকা দিতে দেখে তিনিও প্রথম ডোজের টিকা নেন।

জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘সারা দিন রাস্তায় রাস্তায় থাকি। তাই টিকা নিতে পারিনি। রাস্তার পাশে টিকা দিতে দেখে করোনার টিকা নিলাম।’

default-image

সদর উপজেলার ডোমসার এলাকার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৭০) শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি ইউনিয়নের টিকাকেন্দ্রে যেতে পারছেন না—এমন খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ টিকা ক্যাম্পের কর্মীরা গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে টিকা দিয়েছেন।

গিয়াস উদ্দিন বলেন, তাঁর বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে টিকাকেন্দ্র। এত দূরে যাওয়া তাঁর পক্ষে কষ্টকর। পরে তিনি বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে জানালে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁর বাড়িতে এসে টিকা দিয়ে গেছেন। এক মাস পর স্বাস্থ্যকর্মীরা আবার তাঁর বাড়িতে এসে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিয়ে যাবেন বলে তাঁকে জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, অনেক অসুস্থ, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা টিকাকেন্দ্রে যেতে পারছেন না। তাঁদের দোরগোড়ায় গিয়ে সেবা দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ টিকা ক্যাম্প করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউএনও ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ কার্যক্রম তদারক করছেন।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবদুল্লাহ আল মুরাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে প্রথম ডোজ টিকার আওতায় আনা। তাই টিকাকেন্দ্রগুলোর বাইরেও ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্প করা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন