বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দীপকের বাবা গোপাল চন্দ্র বলেন, তাঁরা গরিব মানুষ। এর মধ্যে তাঁর ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে গেছেন। চিকিৎসার জন্য টাকা না থাকায় কবিরাজের কাছে নিয়ে যাচ্ছেন।

মা সন্ধ্যা রানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, টাকার অভাবে ছেলের ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। ছেলে ভালো না হওয়ায় দেড় মাস আগে তাঁর পত্রবধূ শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছেন। এদিকে কাজ না করলে খাবার জুটবে না। তাঁদের কাজের জন্য বাড়ির বাইরে যেতে হয়। এ জন্য নিরুপায় হয়ে ছেলেকে বেঁধে রেখে যান।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও কলেজশিক্ষক সমরেশ সরকার বলেন, দীপক দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। হঠাৎ তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি দীপকের চিকিৎসার জন্য কিছু আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু সামর্থ্য না থাকায় দীপকের পরিবার কবিরাজের কাছে যাচ্ছে।

শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম বলেন, তিনি দীপকের বিষয়টি জানেন। তাঁর পরিবারকে সহায়তা করেছেন। আবারও খোঁজখবর নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন