বিজ্ঞাপন

সাদিয়া ক্লিনিক নামের ওই হাসপাতালের চিকিৎসক শফিউল ইসলাম বলেন, প্রসববেদনা নিয়ে ওই গৃহবধূকে ভোরে সাদিয়া ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এরপর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি তিন সন্তানের জন্ম দেন। তিন সন্তানই ছেলে। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছে। বাচ্চাদের মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বুকের দুধ যথেষ্ট না পেলে গুঁড়া দুধ খাওয়াতে হবে।

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি তিন সন্তানের জন্ম দেন। তিন সন্তানই ছেলে। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছে।

চিকিৎসক শফিউল ইসলাম সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, নবজাতক ও মা বর্তমানে হাসাতালেই অবস্থান করছেন। তাঁরা বাড়ি যেতে চাইলেও অবস্থা বিবেচনা করে হাসপাতালেই রাখা হয়েছে। আরও দুই থেকে তিন দিন হাসপাতালেই থাকতে হতে পারে।

রনি আলী ও নাজেমা বেগম দম্পতির এর আগে ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। রনি কৃষিকাজ করে সংসার চালান। তিনি বলেন, একসঙ্গে তিনটি ছেলে হওয়ায় খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হবে। নবজাতকদের জন্য সরকারিভাবে সহায়তা কামনা করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন