default-image

শেরপুরে এক দম্পতিসহ নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় কোভিড–১৯ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৩৫। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৭৭ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন নয়জন। শনাক্ত হিসেবে সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। গতকাল বুধবার রাতে সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন শনাক্তদের মধ্যে আছেন নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের পলাশকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী (৩০) এবং শেরপুর শহরের  সজবরখিলা এলাকার একজন মাছ ব্যবসায়ী (৫০)।

বিজ্ঞাপন
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এবং সামাজিক দূরত্ব না মানায় মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। তাই এর বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন ও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
এ কে এম আনওয়ারুর রউফ, সিভিল সার্জন, শেরপুর

সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ প্রথম আলোকে বলেন, শেরপুরে করোনাভাইরাসের বিস্তার বেড়েই চলেছে। গত ৫ এপ্রিল জেলায় প্রথম দুই নারীর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। প্রায় পাঁচ মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৫। এর মধ্যে আগস্ট মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ১২৩ জন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এবং সামাজিক দূরত্ব না মানায় মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। তাই এর বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার ও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গতকাল পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শেরপুর সদরে ২১৬ জন, নকলায় ৬৬, নালিতাবাড়ীতে ৭৮ জন, ঝিনাইগাতীতে ৩৭ জন ও শ্রীবরদী উপজেলায় ৩৮ জন আছেন। কোভিড–১৯ রোগীর মধ্যে ১২ জন চিকিৎসকসহ ৬১ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪০ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

গতকাল পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শেরপুর সদরে ২১৬ জন, নকলায় ৬৬, নালিতাবাড়ীতে ৭৮ জন, ঝিনাইগাতীতে ৩৭ জন ও শ্রীবরদী উপজেলায় ৩৮ জন আছেন। কোভিড–১৯ রোগীর মধ্যে ১২ জন চিকিৎসকসহ ৬১ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪০ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন