পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাসখানেক আগে দুই মাসের ছুটিতে কঙ্গো থেকে বাড়িতে আসেন কপিল উদ্দিন। ১ এপ্রিল ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের পূর্ব কচুয়া গ্রামের আবুল হাসেম ভূঞার মেয়ে সাবরিনা আক্তার সুবর্ণার সঙ্গে আকদ হয়। পরে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী তাঁর বাবার বাড়িতেই থাকতেন। রোজার ঈদের পর স্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের বাড়িতে উঠিয়ে নেওয়ার কথা ছিল কপিলের। গত শনিবার বিকেলে কপিল তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। রোববার সকালে বাবাকে ফোন করে কপিল জানান, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দিতে বলেন। তিনি (কপিল) স্ত্রীকে বাড়িতে উঠিয়ে নেওয়ার সময় সব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আজ সকালেও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র দিতে চাপ দেন। এই চাপ দেওয়ার বিষয়টি কপিল বেলা ১১টার দিকে তাঁর বাবাকে ফোন করে জানান। পরে বেলা দুইটার দিকে শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে কপিলকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কপিলের বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ঘরের মেঝেতে ছেলের লাশ শোয়ানো অবস্থায় রাখা।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরই মধ্যে নিহত কপিলের শ্বশুর আবুল হাসেম ভূঞাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্ত্রী ও শাশুড়ি পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন