বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল হামিদ মিয়া জানান, প্রতিষ্ঠানটির ব্লিচিং প্ল্যান্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সে সময় কারখানার ওই প্ল্যান্টে ৫ থেকে ৬ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। সবাই নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তিনি জানান, কেমিক্যালের আগুন। তাই নেভাতে একটু সময় লাগবে।

কারখানার বেশ কয়েকজন কর্মী বলেছেন, ব্লিচিং পাউডার সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ অংশে তাঁরা সবচেয়ে বেশি আগুন জ্বলতে দেখেছেন। শফিকুল ইসলাম নামের এক কর্মী বলেছেন, প্রথমে এসবিপি ভবনটি আগুনে জ্বলতে দেখা যায়। এরপর আগুন আশপাশের বিভিন্ন ভবন ও প্ল্যান্টে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

নুরুল আমিন নামের এক কর্মী বলেছেন, সন্ধ্যা সাতটার সময় কারখানার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আগুনের ঘটনার সময় খুব বেশি লোক সেখানে থাকার কথা নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় হঠাৎ তাঁদের বাড়ির পাশের ওই কারখানার আগুন দেখা যায়। এরপর‌ বিকট শব্দ হয়। আগুন লাগার পর প্রায় ৩০ মিনিট পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর বিকট শব্দ হচ্ছিল। এতে আশপাশের বাড়িঘরে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে উৎসুক জনতা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস যতক্ষণ কাজ করবে ততক্ষণ সেখানে সর্বসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের লোকজন বলেছেন, ব্লিচিং পাউডার প্ল্যান্ট থেকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আমরা খবর নিয়ে জেনেছি, সেখানে কেউ আহত বা নিহত হয়নি। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সংশ্লিষ্টরা তদন্ত করবে।’

এ বিষয়ে কারখানার সিনিয়র অ্যাডমিন অফিসার রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন