বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে ওই কিশোরী জামা নিয়ে আসার জন্য গ্রামের এক দরজির কাছে যায়। এ সময় এমাজ উদ্দিন কৌশলে ওই কিশোরীকে ডেকে তাঁর বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ওই কিশোরীকে হুমকি দেন এমাজ উদ্দিন। তবে ওই কিশোরী বাড়িতে ফিরে তার মাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়।

পরে ওই এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করেন বলে ওই কিশোরীর পরিবার অভিযোগ করেন। পরে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ বিষয়টি জানতে পারলে পুলিশ রোববার রাতে ওই কিশোরী ও অভিভাবকদের থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনার পর এমাজ উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছেন। তাই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ প্রধান আসামি এমাজ উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আজ দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় আদালতে ভুক্তভোগীর জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন