বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শ্রীবরদী সদর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফরিদুজ্জামান ৫ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল হালিম ২ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়েছেন।

ভেলুয়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল করিম ৫ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জোবায়ের রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৪ ভোট। অন্যদিকে নৌকার প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ৪ হাজার ২৬১ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছেন।

গড়জরিপায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আবদুল জলিল ৩ হাজার ১৯১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ওই ইউপিতে নৌকার প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ১ হাজার ৮৪৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

কুড়িকাহনিয়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা ফিরোজ খান ৪ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে নৌকার প্রার্থী নূর হোসেন ১ হাজার ৭৪০ ভোট পেয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছেন।

তাতিহাটী ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. আবদুর রউফ মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদউল্লাহ বিল্লাল ১ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন।

রাণীশিমুল ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হামিদ ৪ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুদ রানা পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৪৮ ভোট।

কাকিলাকুড়া ইউপিতে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হামিদউল্লাহ ৪ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০৭ ভোট।

মনোনয়ন–বাণিজ্য ও সঠিক প্রার্থী বাছাই না করার কারণে আওয়ামী লীগের এমন ভরাডুবি হয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় নেতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা প্রথম আলোকে বলেন, এলাকায় জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও আবেদন করে অনেকেই দলের মনোনয়ন পাননি। তাঁদের আবেদন বিবেচনা না করে মনোনয়ন–বাণিজ্যের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা নেই এমন ব্যক্তিদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে ভোটাররা ওই প্রার্থীদের ভোট দেননি।

জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার পাল প্রথম আলোকে বলেন, মনোনয়ন–বাণিজ্যের অভিযোগটি সঠিক নয়। দলের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কমিটির সমন্বয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড যোগ্য প্রার্থীদেরই দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। তবে নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়–পরাজয়ের বিষয়ে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও পারিপার্শ্বিকতা অনেক কিছুই কাজ করে। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র একাট্টা হয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করায় এমনটি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন