বিজ্ঞাপন

চা-শ্রমিক পরিতোষ অমলিক বলেন, ১৫ দিন আগে কিছু না জানিয়ে আগে আমার নামের একটি পুকুর ও ফসলি জমির বরাদ্দ বাতিল করে দিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদ করলে ব্যবস্থাপকেরা মিথ্যা গাছ চুরির মামলা ও হয়রানি করে থাকে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লাল বাবু জানান, বাগানের দরিদ্র চা-শ্রমিকদের ঘামে কোটি কোটি টাকা মুনাফা করলেও কোম্পানি শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা দিতে চায় না। অনেক শ্রমিকের ঘরে টিনের চালা ছিদ্র হয়ে পনি পড়ে, কর্তৃপক্ষ মেরামত করে দিতে চায় না। এসব নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে চা-বাগান কর্তৃপক্ষের চা-শ্রমিকদের এভাবে হয়রানি করা মোটেও উচিত হয়নি। সমস্যাগুলো নিয়ে বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের আলোচনার কথা রয়েছে। এতে সমাধান না হলে চা-শ্রমিকেরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন।
বিজয় হাজরা, সাংগঠনিক সম্পাদক, চা শ্রমিক ইউনিয়ন

চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, ‘এই চলমান করোনা পরিস্থিতিতে চা-বাগান কর্তৃপক্ষের চা-শ্রমিকদের এভাবে হয়রানি করা মোটেও উচিত হয়নি। সমস্যাগুলো নিয়ে আন্দোলনরত শ্রমিক ও পঞ্চায়েত নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে। এতে সমাধান না হলে চা-শ্রমিকেরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন।’

সাতগাঁও চা-বাগানের প্রধান ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম চা-বাগানের ড্রেসার শ্যামল কৈরীকে অপসারণের বিষয়ে বলেন, ‘তাঁর বিরুদ্ধে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শ্রমিকেরা আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের সহব্যবস্থাপক ইফতেখার আলমের ওপর হামলা করেছেন। তাঁকে চিকিৎসা দিতে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।’

শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কারকুন প্রথম আলোকে বিকেল চারটায় বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শ্রমিকেরা আন্দোলন শেষ করে বাড়িতে চলে গেছেন। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন