বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শহরের একটি রেস্তোরাঁর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই গৃহবধূর স্বামী লিখন খানের ভাগনে জিন্নাত হোসেন লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, তাঁর মামি (গৃহবধূ) প্রবাস থেকে স্বামীর পাঠানো টাকাপয়সা আত্মসাতের ঘটনাকে আড়াল করতে নারী নির্যাতন ও অ্যাসিড নিক্ষেপের নাটক সাজিয়ে ফুলগাজী থানায় মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করেন। এ মামলায় তাঁর (জিন্নাত) বাবা আবুল কাসেম ও মা হাসিনা আক্তারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তাঁরা পাঁচজনই কারাগারে।

সংবাদ সম্মেলনে গৃহবধূর শাশুড়ি খায়রুন নেছা, দেবর রাসেল, গ্রেপ্তার মিনারের মা সামছুন নাহার, তারেকের বোন হাজেরা আক্তার, নজরুলের বাবা নুরুল ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে জিন্নাত হোসেন জানান, তাঁর মামা লিখন খান গত ১৮ আগস্ট প্রবাস থেকে বাড়িতে আসার কথা পরিবারকে টেলিফোনে জানান। এতে তাঁর স্ত্রী বিচলিত হয়ে ওঠেন। টাকাপয়সার হিসাব ও নিজের ‘সম্পর্কের’ মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে নাটকীয় কল্পকাহিনি সাজান।

এর আগে সাপ দিয়ে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে গৃহবধূর পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় গত ১৫ আগস্ট গৃহবধূর ননদ হাসিনা আক্তার ও ননদের স্বামী আবুল কাসেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৫ সেপ্টেম্বর ফুলগাজীর দরবারপুর গ্রামে গৃহবধূর বাবার বাড়িতে গৃহবধূকে ঘরের জানালা দিয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে স্বামী লিখনের স্বজনদের আসামি করে ফুলগাজী থানায় আরও একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় লিখনের ভাগনে তারেক, মিনার ও নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে। বর্তমানে দুটি মামলার চলমান।

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন ফেনীতে সংবাদ সম্মেলন শেষে নারী নির্যাতন মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন