বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও জামালের পরিবারের লোকজন জানান, প্রতিদিনের মতো গত শনিবার বিকেল পাঁচটায় জামাল নিজ বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। ওই দিন রাতে ও পরদিন পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। রোববার সন্ধ্যায় জামালের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫) তাঁর স্বামীর নিখোঁজের ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আজ বেলা একটায় গ্রামের লোকজন বসতবাড়ির পাশে তাঁর মালিকানাধীন একটি ডোবার কাদা ও কচুরিপানার নিচে জামালের লাশ দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর লাশের প্রায় ৮০ মিটার দূরে জামালের ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পান গ্রামের লোকজন। এ সময় মুঠোফোনটিতে সিম কার্ড ছিল না।

পুলিশের ধারণা, আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে জামালকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে লাশ লুকিয়ে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। আজ বিকেল চারটায় পুলিশ জামালের লাশ উদ্ধার করে।

জামালের বড় ভাই শাফি উদ্দিন (৬০) প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার জানামতে, আমার ভাইয়ের সঙ্গে গ্রামের কারও কোনো বিরোধ নেই। লোকজনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন থাকলেও কারও সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে শনিবার দিবাগত রাতেই খুন করা হয়েছে। লাশে পচন ধরেছে। আর্থিক লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলেই আমার ধারণা। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন