উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় হাঁস-মুরগির খামার রয়েছে ২৪৬টি। এর মধ্যে ৯০টি হাঁস-মুরগির খামারে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এসব খামার থেকে হাঁস-মুরগি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেক খামারি অল্প মূল্যে তাঁদের হাঁস-মুরগি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। আজ বুধবার অনেক স্থানে মাইকিং করে সস্তায় মুরগি বিক্রি করতে দেখা গেছে।

default-image

খামারিরা তাঁদের গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। উপজেলায় গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়ার খামার রয়েছে ৩৫৪টি। এর মধ্যে ৮০টি খামারে পানি প্রবেশ করেছে। অনেকেই কোরবানি ঈদ সামনে রেখে এসব গবাদিপশু পালন করছিলেন। কিন্তু তাঁরা এখন এগুলো বিক্রি করতে পারছেন না। আবার গোখাদ্যেরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলা সদরের বড্ডাপাড়া গ্রামের মহিষ খামারি জয়নাল মিয়ার (৪৫) খামারে ছোট–বড় ২১টি মহিষ রয়েছে। তিনি তাঁর মহিষ নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা এলাকায়। সেখানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে। জয়নাল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত সোমবার স্থানীয় পশুর হাটে বিক্রির জন্য ১০টি মহিষ নিয়েছিলাম। একটিও বিক্রি হয়নি।’

default-image

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখানে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে অনেকেই গবাদিপশু পালন করে থাকেন। বন্যার পানির কারণে তাঁরা এবার বিপাকে পড়েছেন। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের তালিকা প্রস্তুত করছি। তাঁদের সহায়তা করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক বলেন, এখানে পানিবন্দী ৩০০ পরিবারের জন্য ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং ৪ হাজার ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। প্রয়োজনে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন