বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় তাঁরা ‘ডাইনিংয়ে না খেলে সিট বাতিল হবে কেন?’, ‘ডাইনিংয়ের খাবার মানসম্মত না’, ‘ডাইনিংয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক কেন?’ ‘প্রাধ্যক্ষের কথার যুক্তি চাই’, ‘সান্ধ্য আইন বাতিল চাই’, ‘ডাইনিংয়ের পচা খাবার খাব না’ বলে স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারী ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণরুমের প্রায় ১৪৪ জন ছাত্রীকে হলের ডাইনিংয়ে খাওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। তাঁদের নিজেদের রান্না করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। অন্যথায়, তাঁদের জন্য গণরুম বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ডাইনিংয়ের খাবার খুবই নিম্নমানের। পাশাপাশি হলের কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদ করলে ছাত্রীদের অভিভাবককে ফোন করে অভিযোগ করা হয়।

বিষয়গুলোর মীমাংসার জন্য সন্ধ্যা সাতটার দিকে হলের প্রাধ্যক্ষ ফেরদৌসী মহল, প্রক্টর লিয়াকত আলীসহ কয়েকজন সহকারী প্রক্টর, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, কয়েকজন ছাত্রী প্রতিনিধি আলোচনায় বসেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আলোচনা শেষে হলের সামনে এসে প্রক্টর লিয়াকত আলী বলেন, ছাত্রীদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে আগের নিয়মেই সবকিছু চলবে। এরপর ছাত্রীরা তাঁদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

জানতে চাইলে ফেরদৌসী মহল মুঠোফোনে বলেন, ‘বিদ্যুৎ লাইনের সমস্যার কারণে গণরুমের ছাত্রীদের রান্না থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল। এ জন্য আমি তাঁদের কাছে মাসখানেক সময় চেয়েছিলাম। কারণ, দেড় বছর ধরে হলগুলো বন্ধ ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হলে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছিল। এর পরে হলে ঢুকতে গেলে বা বাইরে যেতে হলে, তাঁদের লিখিতভাবে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন