বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে টিকা নিচ্ছেন সবাই। উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রাম থেকে টিকা নিতে এসেছেন মো. আবদুর রহিম (২৪)। তিনি বলেন, ‘লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নিতে ২০ মিনিটের মতো লেগেছে। টিকা নিতে কোনো ঝামেলায় পড়তে হয়নি।’

নান্নার ইউনিয়নের উলাইল গ্রাম থেকে টিকা নিতে এসেছেন সাহেরা বেগম (৬০) ও সানাইবিবি (৫৫)। সাহেরা বেগম টিকা নিয়ে হাতের টিকা নেওয়া অংশটিতে বারবার চাপ দিচ্ছিলেন। সোনাইবিবি তাঁকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘ছোট্ট সুই বাচই (বুঝতে পারা) তো পাওয়া যায় না, ডল কেন।’ ব্যথা পেয়েছেন কি না, জিজ্ঞাসা করলে সাহেরা বেগম বলেন, ‘একটু দুক্কু পাইছি (ব্যথা)। টিকা দিয়া করোনার ডর (ভয়) গেছেগা। টিকা দেওনের সময় বেশি লাগে নাই।’

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূর রিফফাত আরা বলেন, তাঁদের ২৭ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। তাঁরা ২৫ হাজার ৩৭০ জনকে টিকা দিয়েছেন। শনিবার টিকা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত দিন হিসেবে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সায়েমুল হুদা প্রথম আলোকে বলেন, ১৯ হাজার ৮৫ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ছিল। ১৭ হাজার ২ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। উপস্থিতি বেশি হওয়ায় বেশ কয়েকটি বুথে নির্ধারিত সময়ের পরও উপস্থিত সবাইকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন