বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম পাশের টিনের চালের পুরোনো ভবনের প্রতিটি কক্ষই পানিতে থই থই। দশম শ্রেণির ছাত্রী ঋতু খাতুন জানায়, বৃষ্টি হলেই টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে। বাইরে থেকেও পানি ঢুকে যায়।

ওই ভবনে প্রধান শিক্ষকের কক্ষ, গ্রন্থাগার, শিক্ষকদের কক্ষসহ আরও দুটি শ্রেণিকক্ষ পানিতে সয়লাব। পূর্ব পাশে পাকা ভবনটির তিনটি কক্ষে বিজ্ঞানাগার, পাশের দুটি কক্ষেও পানি। পরের ভবনটিতে তিনটি কক্ষে পাঠদান চলছে ছয়টি শ্রেণির। দশম শ্রেণির রুদ্র প্রতাপ মণ্ডল বলে, ‘তিনটি কক্ষের মধ্যে আমাদের বসে ক্লাস করতে হচ্ছে। করোনার মধ্যে দূরত্ব বজায় থাকে না।’

এসএসসি পরীক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলে, শৌচাগারে পানি ঢুকে যাওয়ায় তারা সমস্যায় পড়েছে বেশি। অষ্টম শ্রেণির জয়ন্ত মণ্ডল বলে, খেলার মাঠে বছরের চার মাস পানি জমে থাকে। তখন খেলাধুলা সব বন্ধ থাকে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬২। এত সমস্যার পরও শত বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল বরাবরই ভালো। এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার মধ্যে ২০১৩ সালে দ্বিতীয়, ২০১৫ সালে চতুর্থ স্থান অধিকার করে। পাসের হার ৯০ শতাংশ।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মলয় কুমার ব্রহ্ম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ ও সমস্যা নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অনেকবার চিঠি দিয়েছি। কিন্তু ভবন নির্মাণের কোনো ব্যবস্থা হয়নি।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়টির সমস্যার কথা জানা আছে। কয়েকবার ভবন নির্মাণের জন্য লিখেছি। আশা করছি, ভবন নির্মাণ করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন