বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলার ১২টি ইউপিতে প্রার্থীরা আজ শেষ দিনে নিজ নিজ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, ১২টি ইউপির ১১টিতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইউপিগুলো হলো সুকাশ, ডাহিয়া, ইটালী, কলম, চামারী, হাতিয়ান্দহ, লালোর, তাজপুর, চৌগ্রাম, ছাতারদীঘি ও রামানন্দ খাজুরা। কোনো কোনো ইউপিতে আওয়ামী লীগে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তিনটি ইউপিতে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন প্রতিটি ইউপিতে প্রার্থী দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুরুন নবী। তাঁর বিপক্ষে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রথম স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা খাতুন।

এর আগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১২টি ইউপির জন্য ১২ জন দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান, বাকি ছয়টিতে নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে শেরকোল ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুল হাবিব। তাঁর বিপরীতে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

প্রার্থী লুৎফুল হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিগত দিনে তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তাই ইচ্ছা করেই কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ ক্ষেত্রে প্রতিমন্ত্রীর আত্মীয়তা কোনো বিষয় হয়ে দাঁড়ায়নি। এদিকে আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অনেকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন