default-image

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার পুলিশ সুপারের (এসপি) নির্দেশে তাঁদের থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

ওই দুই কর্মকর্তা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু সুফিয়ান। ফারুকের বিরুদ্ধে মামলার বাদীর কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া এবং সুফিয়ানের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।

জানতে চাইলে পুলিশ সুপার (এসপি) রিফাত রহমান বলেন, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে তদন্ত করতে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) আলমগীর হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ওই দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে।
রিফাত রহমান, এসপি, মানিকগঞ্জ
বিজ্ঞাপন

সিঙ্গাইর থানার পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, ১৮ অক্টোবর জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে উত্তর পারিল গ্রামের আবুল হোসেন ও তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগমের ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষ। এতে আহত মমতাজকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হামলার ঘটনায় পরদিন আবুল থানায় মামলা করতে গেলে এসআই ফারুক হোসেন টাকা দাবি করেন। ফারুককে পাঁচ হাজার টাকা দেন আবুল। এরপরও ফারুক বিষয়টি মীমাংসার কথা বলেন। গত রোববার আবুল বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামানকে জানান। এরপর মামলাটি নিয়ে টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

একই সূত্র আরও জানায়, গতকাল সোমবার দুপুরে বায়রা কলেজের একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বায়রা বাজার এলাকায় উচ্চশব্দে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল। এএসআই আবু সুফিয়ান মোটরসাইকেলটি আটক করেন। এরপর বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এ সময় সুফিয়ানকে অবরুদ্ধ করেন লোকজন। পুলিশের অন্য সদস্যরা গিয়ে সুফিয়ানকে উদ্ধার করেন।

জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, ওই এসআই ও এএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0