বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেরিনা জাহানসহ মোট তিন প্রার্থী প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য দুই প্রার্থী জাতীয় পার্টির মোক্তার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির। এ তিন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা তিনজনই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

নৌকার প্রার্থী মেরিনা জাহান বলেন, শাহজাদপুরের জনগণ তাঁর পাশে আছেন। শাহজাদপুরের জনগণ যথেষ্ট সচেতন। তাই জনগণ তাঁদের সুচিন্তিত মতামত দিয়ে এ আসনে তাঁকেই বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ূন কবির জানান, উপনির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে তিনি এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হলে ভোটাররা তাঁকে সাংসদ বানাবেন বলে তিনি দাবি করেন।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোক্তার হোসেনও আশা করছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শাহজাদপুরের জনগণ ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে তাঁকে বিজয়ী করবেন।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে এখানে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষভাবেই ভোট হচ্ছে।

এদিকে এ উপনির্বাচনকে ঘিরে দুজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে তাঁরা মাঠে আছেন।

রাজশাহী আঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতের লক্ষ্যে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ১২ জন সশস্ত্র আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি, ৮ প্লাটুন র‍্যাব, পুলিশের ১৬টি ভ্রাম্যমাণ দল ও ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুরো নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি একজন যুগ্ম জেলা জজ ও একজন সিনিয়র সহকারী জজের নেতৃত্বে দুটি বিচারিক আদালত দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর সাংসদ হাসিবুর রহমানের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এ আসন থেকে হাসিবুর রহমান দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিও ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন