বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্দিরের সেবায়েত সুদর্শন নায়েব জানান, আজ শনিবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি মন্দিরে এসে দেখেন, প্রতিমা ভেঙে ফেলে রাখা হয়েছে। তৎক্ষণাৎ তিনি মন্দির কমিটির লোকজনকে খবর দেন।

কালীমন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দেবনাথ জানান, কালীমূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া মহাদেব,শ্যামাকালী, মহাদেব সহচারী নাগিনী ও যোগিনীর মূর্তির মাথা নেই, কোনোটির হাত নেই। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়।

জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ–খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা এ মন্দিরে রাত তিনটা, কেউ সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ছিলাম। এরপর রাতের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে কেউ ভাঙচুর করেছে। এটা চোরাগোপ্তা হামলা। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’

default-image

পরে আজ সকাল ১০ টার দিকে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল ও পুলিশ সুপার আবদুল মোমেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম, রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ইকবাল হোসেনসহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জানতে চাইলে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, টিনের বেড়া কেটে চোর যেভাবে চুরি করে, ঠিক সেভাবে মন্দিরের ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা কয়েকটি প্রতিমার হাত–পা ভেঙেছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। মন্দির কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন