বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘উৎপত্তিস্থলটি আমরা সিলেট অঞ্চল হিসেবেই পেয়েছি, সেটি সীমান্তবর্তী ডাউকি এলাকায়। শুধু সিলেট স্টেশন থেকে ভূকম্পনের সিগন্যালটি এসেছে। অন্য কোনো স্টেশন থেকে সিগন্যাল আসেনি।’

ভূমিকম্পের গতি, প্রকৃতি ও এ–সংক্রান্ত গবেষণা করছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুর ও পরিবেশকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মুস্তাক আহমদ। তিনি বলেন, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের ডাউকি ফল্টের অবস্থান সিলেট শহর থেকে খুব বেশি দূরে নয়। এটি খুব বিপজ্জনক ফল্ট। তাই সিলেটও ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে। এক দিনে কয়েক দফা কম্পন শক্তিশালী ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাস; যদিও ঘন ঘন কম্পন শক্তিশালী ভূমিকম্পকে কিছুটা দুর্বল করে দেয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন