বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউএনও শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, সীতাকুণ্ডের মানুষ অত্যন্ত অসাম্প্রদায়িক। এখানে সব সময় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। সে জন্য এ উপজেলায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই। তবুও সতর্ক অবস্থানে আছে প্রশাসন।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার থেকে মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি মন্দির কমিটিকে তাদের স্বেচ্ছাসেবক দ্বিগুণ করার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিজ নিজ এলাকায় মন্দিরগুলোর নিরাপত্তায় সম্পৃক্ত হতে বলা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের উত্তর মছজিদ্দা সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে আসেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, কুমিল্লার ঘটনার কারণে মন্দিরের অবস্থা দেখতে তিনি এখানে এসেছেন।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক রূপম দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, রাতে একাধিকবার পুলিশ এসেছে মন্দিরে। তারা বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার নবমী উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বেশ কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন