বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট সীমান্তের কাছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুজন বাংলাদেশি নিহত হন। নিহত দুজন হলেন গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলী (৪০) ও একই গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে আসাদুজ্জামান ভাসানি (৪৫)। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও লাশ ফেরত দেওয়া হয়নি।

বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ। জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিবের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান ওরফে শিমুল বিশ্বাস, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সহসভাপতি রোকন উদ্দিন, বিএসএফের গুলিতে নিহত ইদ্রিস আলীর ভাই একরামুল হক ও নিহত আসাদুজ্জামান ভাসানির ভাই মাসুদ রানা।

কর্মসূচিতে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি। দেশ স্বাধীনতার পর সেই ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে সীমান্ত এলাকার নিরীহ নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যু হচ্ছে। সেই লাশও ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশকে ফেরত দিচ্ছে না।’ তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের এসব অন্যায় কাজের জোর প্রতিবাদ করতে পারছে না দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে।

বিএনপি নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, নিহত দুই বাংলাদেশির পরিবার তাদের আপনজনদের শেষ বিদায় জানাতে, শেষবারের মতো মুখটা দেখার অধিকার থেকে বঞ্চিত।

প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ইদ্রিস আলী ও আসাদুজ্জামান ভাসানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ তহবিল থেকে দুজনের পরিবারের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে বিশেষ অনুদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন