বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাংশু কুমার সিংহ, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের ২৬টি ও ভারতের ২৪টি মিলিয়ে হাটে ৫০টি দোকান আছে। উদ্বোধনী দিনেই হাটে দুই দেশের ক্রেতা-বিক্রেতা ও উৎসাহী মানুষের ভিড় ছিল।

হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলা ইউনিয়নের বাংলাদেশের বাগানবাড়ি ও ভারতের রিংকু এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে এই হাট বসেছে। বাংলাদেশের ২৬টি ও ভারতের ২৪টি মিলিয়ে হাটে ৫০টি দোকান আছে। উদ্বোধনী দিনেই হাটে দুই দেশের ক্রেতা-বিক্রেতা ও উৎসাহী মানুষের ভিড় ছিল। হাটে দুই দেশের দোকানিদের স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য, পান, সুপারি, সবজি, ফল, নানা জাতের মসলা, কাপড়, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী বিক্রি করতে দেখা গেছে।

default-image

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখানে নতুন একটি সীমান্ত হাট চালু হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের উপকার হবে। এর পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হবে। বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, ‘বর্ডার হাট চালু হওয়ায় আমরা খুশি। অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার নিরাজ কুমার জয়সওয়াল বলেন, সুনামগঞ্জে আরেকটি নতুন সীমান্ত হাট চালু হওয়ায় দুই দেশের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

সুনামগঞ্জ–৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান বলেন, এই হাটে দুই দেশের মানুষ যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠবে।

২০১২ সালের ২৪ এপ্রিল সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ডলুরা এলাকায় জেলার প্রথম সীমান্ত হাট চালু হয়। দোয়ারাবাজার উপজেলায় বৃহস্পতিবার চালু হলো দ্বিতীয় সীমান্ত হাট। ১৬ মে জেলার তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় এলাকায় আরেকটি সীমান্ত হাট চালুর কথা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন