বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বের ম্যানগ্রোভ অরণ্যগুলোর সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ম্যানগ্রোভ অ্যাকশন প্রজেক্ট (এমএপি) নামে একটি সংস্থা সপ্তমবারের মতো এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে ছয়টি ক্যাটাগরির মধ্যে মুশফিকুর রহমানের তোলা ছবি সেরা নির্বাচিত হয়।

মুশফিকুরের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাইগুণী গ্রামে। তিনি রাজধানীর বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটিতে অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের ভেতরে ছবি তোলা যেমন রোমাঞ্চ ও অ্যাডভেঞ্চারে ভরা, তেমনি ঝুঁকিও আছে। মৌচাকে আগুনের ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছি তাড়িয়ে মৌয়ালের মধু সংগ্রহের ছবি তুলতে গিয়ে পা পিছলে ক্যামেরা নিয়ে পড়ে যাই। শেষ পর্যন্ত ছবিটা তুলতে পেরেছিলাম।’

তরুণ এ আলোকচিত্রী মুশফিকুর বলেন, প্রতিযোগিতার আয়োজকদের উদ্দেশ্য ছিল অরণ্যের ভেতরের জীবন, উপকূলের মানুষ ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ছবিতে তুলে ধরা। তাঁর ছবিটি সেরা নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের সম্মান বেড়েছে।

প্রতিযোগিতায় ৬টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৩০০ ছবি জমা পড়ে। এর মধ্যে সুন্দরবনে মৌয়ালের ছবিটি সমন্বিতভাবে সেরা নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিযোগিতার আয়োজক এমএপি ১২০টির বেশি দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বন ও বনজ সম্পদ সংরক্ষণে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

মুশফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এর আগে তিনি ২০১৯ সালে ইউনিসেফ আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় ‘জল ও জীবন’ শিরোনামে ছবি তুলে তৃতীয় সেরার পুরস্কার জিতেন। এ ছাড়া একই বছর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় ‘হাতুড়ে ডাক্তার’ শিরোনামে ছবি তুলে সেরার পুরস্কার জিতেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন