বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধনঞ্জয়ের বাড়ি খুলনা শহর থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরের কয়রা উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর কয়রা গড়িয়াবাড়ি গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই গ্রাম থেকে একমাত্র তিনিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

৪০তম বিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ধনঞ্জয়। তাই ভাইভার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জোরেশোরে। এর আগে ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় ভাইভা দিলেও তাতে কোনো ফল আসেনি। এ কারণে প্রস্তুতির কমতি ছিল না। করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গত বছরের মার্চ থেকে বাড়িতেই ছিলেন। গত ২৪ আগস্ট করোনার উপসর্গ নিয়ে সেখানেই মারা যান তিনি।
ধনঞ্জয়ের পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বলতে বাবা আর মেজ ভাই। তা–ও সুন্দরবন থেকে মাছ-কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করে তাঁরা। আর সেটা করেই পড়াশোনা করিয়েছেন পরিবারের বড় ছেলে ধনঞ্জয় মণ্ডলকে। ধনঞ্জয়ের ছয় মাসের একটি ছেলে আছে।

ইউএনও অনিমেষ বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ধনঞ্জয় মণ্ডলের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অস্ট্রেলিয়া শাখার পক্ষ থেকে টাকা পাঠানো হয়। পরে ধনঞ্জয়ের স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দুই লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ শাখার পক্ষ থেকে তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী দুর্গাপূজার আগে ওই তহবিল থেকে পরিবারটিকে সাহায্য করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন