default-image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বোনের বাসায় ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শনিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বাড়ির লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার পর ওই বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আজ রোববার সকালে বাড়ির পেছন থেকে অবিস্ফোরিত পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওবায়দুল কাদেরের ছোট বোন তাহেরা বেগমের ছেলে হুমায়ুন রশিদ ওরফে মিরাজ প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে তিনি বাসায় বসে টেলিভিশন দেখছিলেন। এমন সময় বাড়ির পেছনে খালপাড় থেকে বাড়ি লক্ষ্য করে পরপর পাঁচ থেকে ছয়টি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। ককটেলগুলো বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলে তিনিসহ ঘরে থাকা তাঁর মা, স্ত্রী, ছেলেসহ পরিবারের লোকজন এবং বাড়িতে থাকা অন্য ভাড়াটেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁর ভাষ্য, শব্দ শুনে তিনি তাৎক্ষণিক বাড়ির পেছনে দুটি মোটরসাইকেলে করে কেচ্ছা রাশেল, দিলীপ দাশ, শাহজাহান সাজুসহ একদল দুর্বৃত্তকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন। তাঁরা সবাই তাঁর মামা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

বিজ্ঞাপন

হুমায়ুন রশিদের ভাষ্য, ঘটনাটি রাতেই কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানানো হয়েছে। তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতে তাঁদের বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে আজ সকালে বাড়ির পেছন থেকে অবিস্ফোরিত পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ হামলার ঘটনায় তাঁর বড় ভাই মাহবুবুর রশিদের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় মামলা করবেন। তবে আগে থেকে থানায় তাঁদের সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা আছে।

শব্দ শুনে আমি তাৎক্ষণিক বাড়ির পেছনে দুটি মোটরসাইকেলে করে কেচ্ছা রাশেল, দিলীপ দাশ, শাহজাহান সাজুসহ একদল দুর্বৃত্তকে পালিয়ে যেতে দেখেছি। তাঁরা সবাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।
হুমায়ুন রশিদ ওরফে মিরাজ, ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট বোনের বাড়িতে ককটেল হামলার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রথম আলোকে আজ সকালে তিনি বলেন, ওই বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন