বিজ্ঞাপন

কৃষক মো. আবদুল হান্নান বলেন, ‘তারাবনীয়া বিলে আমি ১২ একর জমিতে ধান চাষ করেছি। জমিতে যাওয়ার সময় ছড়া পার হয়ে আল দিয়ে যেতে পারি। কিন্তু ধান কেটে আনতে হলে দুই কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়। অধিকাংশ কৃষক রাস্তা না থাকায় আমার বাড়ির উঠান দিয়েই চলাচল করেন। সেতুর দুই পাশে সড়ক নির্মাণ হলে অনেক উপকার হবে।’

তিন কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ সামশু বলেন, তারাবনীয়া বিলে তিন ওয়ার্ডের দুই শতাধিক কৃষক ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করেন। ছড়ার ওপর সেতুটি নির্মাণ করায় কৃষকদের ছড়া পারাপারে উপকার হয়েছে। কিন্তু সেতুর দুই পাশে সড়ক না থাকায় কৃষকদের দুর্ভোগ রয়েই গেছে। সড়ক নির্মাণ হলে কৃষকদের দুই কিলোমিটার পথ আর পেরোতে হবে না।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাশেম বলেন, কৃষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুর দুই পাশে অবশ্যই সড়ক নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সদিচ্ছা প্রয়োজন। তাঁদেরও জমির কিছুটা ছেড়ে দিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন