বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর প্রধান বলেন, খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, চিফ কনসালট্যান্ট জেনারেল ও এডহক কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসানসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটি ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেকে অনুমোদন হয়। প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে পাইল ফাউন্ডেশন দিয়ে ১১৯টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ অন্যতম। এ ছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, খেলার মাঠ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরবর্তী সময়ে ইনানী ও মেরিন ড্রাইভ–সংলগ্ন হিমছড়িতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ঘুরে দেখেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এ সময় কাজের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন