বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপ-অধিনায়ক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, আশ্রয়শিবিরের অভ্যন্তরে শৌচাগার স্থাপন ও সংস্কারকাজ করছিলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনজিও ফোরাম ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের নিযুক্ত কর্মচারীরা।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন রোহিঙ্গা শ্রমিক সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন। এ সময় শৌচাগারের ট্যাংকে আটকা পড়েন তিনজন। ট্যাংকের নিচে ময়লাযুক্ত পানিতে ডুবে ঘটনাস্থলে মারা যান সাদ্দাম ও নুরুল। আর গুরুতর অবস্থায় কবির আহমদকে উদ্ধার করে এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষাক্ত বর্জ্যে সেপটিক ট্যাংকের পানিতে গ্যাসের সৃষ্টি হয়েছিল। এ কারণে দুই রোহিঙ্গার মৃত্যু হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন