মানববন্ধনে কর্মকর্তা সমিতির সহসভাপতি আবদুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেটে যে সেশন বেনিফিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা একপেশে। ২০১২ সালের যে আইনে সেশন বেনিফিট বাতিলের কথা বলা হয়েছে, সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়টি ছিল না। শিক্ষকেরা গায়ে পড়ে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেটে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাপারে ইউজিসি কোনো নির্দেশনা দেয়নি। যে ঘোষণা এসেছে সেটা শুধু শিক্ষকদের জন্য।

কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম হাওলাদার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় যদি ৭৩-এর অধ্যাদেশে চলে তাহলে একই জায়গায় দুই আইন কীভাবে হয়? শিক্ষকেরা যদি ৬৫ বছর চাকরি করতে পারেন, তবে আমরা কেন পারব না? কর্মচারীদের চাকরির বয়সসীমা যত দিন না ৬৫ বছরে উন্নীত করা হবে, তত দিন আমাদের আন্দোলন চলবে।’

কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘প্রশাসনকে শিক্ষককেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এখানে আমাদের সঙ্গে রং-তামাশা করা হচ্ছে। দাবি তুললে তারা সমাধান না দিয়েই আবার বসব বলে। তারা শিক্ষকদের সঙ্গে বসে, ছাত্রদের সঙ্গে বসে, কিন্তু আমাদের সঙ্গে বসতেই যত আপত্তি।’

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রবিউল্লাহ, কর্মচারী সমিতির সভাপতি আবদুর রহিম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থবছরের যে সময়েই অবসরে যান না কেন, তিনি অর্থবছরের শেষ দিন পর্যন্ত অর্থাৎ জুন মাস পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন—এ সুবিধার নাম সেশন বেনিফিট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন