বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নির্মানাধীণ ছয়তলা ভবনের লিফট স্থাপনের নকশা অনুমোদনের জন্য পৌর মেয়র রাফিকা আকতার জাহানের দ্বারস্থ হন গাউসুল আযম ফারুকী। এ সময় মেয়র তাঁর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। ২০২০ সালের ২১ ডিসেম্বর এবি ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখায় নিজের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই টাকা দেন ফারুকী। মেয়রের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক হাসানুজ্জামান আজম ২৩ ডিসেম্বর ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেন। এরপরও নকশা অনুমোদিত না হওয়ায় ফারুকী আবার চলতি বছরের ২২ আগস্ট মেয়রের কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। এ সময় মেয়র নকশা অনুমোদনের জন্য আবার এক লাখ টাকা দাবি করেন।

চলতি মাসের ১৬ সেপ্টেম্বর ফারুকী মেয়রের কাছে নকশা অনুমোদনের বিষয় জানতে চাইলে আগের এক লাখ টাকা গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ ঘটনায় মেয়রের নামে প্রতারণার অভিযোগে সৈয়দপুর আমলি আদালতে মামলাটি করেন গাউসুল আযম ফারুকী। মামলায় দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে মেয়রের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক হাসানুজ্জামান আজমকে।

সৈয়দপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. আবদুস সেলিম বলেন, গাউসুল আযম ফারুকী এক মাস আগে লিফটের নকশা অনুমোদনের জন্য কাগজপত্র দাখিল করেছেন, যা তদন্তাধীন। তা ছাড়া তাঁর ভবনের জমির জটিলতা বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা ছিল। আগের মেয়রের বিরুদ্ধে তিনি এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করেছিলেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বলেন, ‘চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আমি মেয়র নির্বাচিত হই। বিগত বছরে আমাকে নকশা অনুমোদনের জন্য টাকা দেওয়ার বিষয়টি হাস্যকর। মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি ও সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন