বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে তাঁরা দুটি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। দুটি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় কাঁচপুর সেতুর দুই প্রান্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শ্রমিকদের অবরোধ চলার সময় শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নিতে পুলিশ সমঝোতা করার চেষ্টা করে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় পুলিশকে লক্ষ্য করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় ৫০-৬০টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। আধা ঘণ্টা পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর সন্ধ্যা সাতটায় শ্রমিকেরা মহাসড়ক ছেড়ে চলে যান। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে শিল্প পুলিশের কনস্টেবল সজীব মিয়া আহত হন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা গ্রুপের শ্রমিক আবদুর রশিদ, রহিমা বেগম ও নাজমা আক্তার দাবি করেন, পুলিশের হামলায় আলী হোসেন, নুরু মিয়া, শ্যামলী আক্তার, নাজমা বেগম, আলমগীর হোসেনসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকেরা দুটি মহাসড়ক আড়াই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন। শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে ৫৩টি ফাঁকা গুলি এবং টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশের একজন সদস্য আহত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন