default-image

রাজবাড়ীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আজ রোববার সকালে রাজবাড়ী সদর থানায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রিফাত শেখ (১৮), আব্বাস শেখ (২০), সোহাগ শেখ (১৬) ও আসাদ শেখ (৩৩)। তাঁরা সবাই বালিয়াকান্দি উপজেলার নটাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর বাড়ি বালিয়াকান্দি উপজেলায়। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে বিদ্যালয়ের একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান দেখতে যায়। সেখানে রিফাত তাকে রাজবাড়ীতে একুশে ফেব্রুয়ারির বড় অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হলে রিফাত, আব্বাস ও আসাদ ওই ছাত্রীকে এক বান্ধবীসহ ইজিবাইকে করে রাজবাড়ী সদর থানার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের বাশার মৃধার বসতবাড়িতে নিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

এ সময় ওই তিন ব্যক্তি ওই ছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ করেন। রিফাত ধর্ষণের ঘটনা আব্বাসের মুঠোফোনে ধারণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এভাবে ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিক দিন দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। সবশেষ তাকে ২৪ মার্চ ওই বাড়িতে নিয়ে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। মানসিক অবস্থা খারাপের কারণ জানতে চাইলে ২৬ মার্চ কিশোরীটি মায়ের কাছে বিস্তারিত খুলে বলে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিরা পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। দুপুরে কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন